সিরাজদিখানে বছরের প্রথম দিনে নতুন বই পেল ৩৯ হাজার শিক্ষার্থী

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বছরের প্রথম দিনে ৩৯ হাজার শিক্ষার্থী পেল নতুন বই। এ উপলক্ষ্যে ১ জানুয়ারি শনিবার সকাল ১০ টার দিকে সিরাজদিখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম এ নতুন বই শিক্ষার্থীদের বিতরণের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. বেলায়েত হোসেন, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. আমিনুর রহমান, সিরাজদিখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিখিল কুমার বনিক, সহকারী শিক্ষক রিপা ঘোষ, আছাল উদ্দিন তালুকদার, পলি দে, শাহীন মাহমুদ, জিন্নাতুন নাহার, নাসরিন আক্তার প্রমুখ।

জানা যায়, এউপজেলায় উচ্চ মাধ্যমিক ২৭টি, মাদরাসা ১০টি। এবছর ৬ষ্ঠ থেকে ৯ নবম শ্রেণী পর্যন্ত ২৭ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে ১৪হাজার শিক্ষার্থীকে নতুন বই দেওয়া হয়েছে। আর ১৩হাজার ৮০০ শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিকভাবে বই দেওয়া হবে। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১২৮ টি ও কেজি স্কুল ৬৫টি। এবছর ২৫ হাজার শিক্ষার্থী নতুন বই দেওয়া হয়। শিশু শ্রেণি ২টি, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি ৩টি, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি শিক্ষার্থী পেয়েছে ৬টি করে বই।

ছবি- বার্তা বাজার।

সিরাজদিখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিখিল কুমার বনিক বলেন, সকালে শিক্ষার্থীদের হাতে ইউএনও স্যার বাচ্চাদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়েছেন। এতে করে শিক্ষার্থীরা আনন্দে বই গুলো গ্রহণ করে বাড়ি ফিরেছে। বছরের শুরুতে বাচ্চাদের হাতে বই দিতে পেরে আমরা আনন্দিত।

ভূইরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমার স্কুলে ১৫২ জন প্লাস শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই দেওয়া হয়েছে। নতুন বই পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দে বাড়ি গেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়েছে। আজ (শনিবার) উপজেলার ১২৮ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৬৫টি কেজি স্কুলের ২৫ হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী আব্দুল ওয়াহিদ মো. সালেহ বলেন, ২৭টি উচ্চ মাধ্যমিক ও ১০টি মাদরাসায় মোট ২৭ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের মধ্যে আমরা ১৪হাজার শিক্ষার্থীকে নতুন বই আজ (শনিবার) দিয়েছি। বাকি ১৩হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী পর্যায়ক্রমে পেয়ে যাবে এই বছরের নতুন বই। আমাদের বই দরকার ৪লক্ষ ৭২হাজার, তার মধ্যে আমরা পেয়েছি ২ লক্ষ ৬২ হাজার বই। বাকি বই পর্যায়ক্রমে চলে আসবে। সেগুলো বিতরণ করা হবে।

উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম বলেন, আমি সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিয়েছি। এতে একটি আনন্দঘন মুহূর্ত সৃষ্টি হয়েছে। প্রতি বছরের শুরুতেই নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

মোঃ মিজানুর রহমান/বার্তা বাজার/মনির।

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো