শুক্রবার মহিলা সমিতিতে ন্যাটানুষ্ঠান, প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী

রাজধানীর বেইল রোডে অবস্থিত মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে এ নাট্যম রেপার্টরীর প্রযোজনায় মঞ্চায়ন হবে ‘কোথায় জলে মরাল চলে’ নাটকটি।

নাট্যানুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে প্রদর্শনীর ব্যবস্থাপক রাশেদুল ইসলাম রাসেল।

জানা যায়, “কোথায় জলে মরাল চলে” নাটকটি রচনা করেছেন ভারতের প্রখ্যাত নাট্যকার মোহন রাকেশ এবং অনুবাদ করেছেন ভারতের নাট্য গবেষক ড. অংশুমান ভৌমিক ও নির্দেশনায় ড. আইরিন পারভীন লোপা।

শুক্রবার নাটকটির উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মঞ্চ সারথি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য জনাব আতাউর রহমান।

নাটকটিতে যারা অভিনয় করছেন-

নন্দ:শুভাশীষ দত্ত তন্ময়,
সুন্দরী:সংগীতা চৌধুরী,
আর্যমৈত্রেয়:খুরশীদ আলম,
শ্যামাঙ্গ:ফখরুজ্জামান,
শ্বেতাঙ্গ:শাকিল আহমেদ,
আনন্দ:শিমুল সাইফুল ইসলাম,
শশাঙ্ক:দেলোয়ার হোসেন উজ্জ্বল,
নীহারিকা:নেহারিকা লাভলী সহ অনেকেই।

এছাড়া, সেটের দায়িত্বে থাকছেন অসীম দাস,
আবহ সংগীত- শেখ জসিম,
আলো- মোঃ বজলুর রহমান,
পোশাক পরিকল্পনা- ড. আইরিন পারভীন লোপা,
অঙ্গরচনা পরিকল্পনা- শুভাশীষ দত্ত তন্ময়,
দ্রব্য সামগ্রী – শরিফুল ইসলাম মামুন।

গল্প সংক্ষেপঃ
তেইশশো বছর আগেকার কপিলাবস্তুর কথা, গৌতম বুদ্ধের মনকে রাজকীয় বিলাস-বৈভব আকৃষ্ট করতে পারেনি। মানবজীবনের হতাশা, দুঃখ, জরা-ব্যাধি প্রভৃতির চিন্তা তাকে আকুল করে তোলে। তিনি সংসার সম্পর্কে ক্রমেই উদাসীন হয়ে পড়লে তাঁর পিতা যশোধরা নামে সুন্দরী রাজকন্যার সঙ্গে বিবাহ দেন। সংসার জীবনে দুঃখ, জরা-ব্যাধি এবং মৃত্যুর বিষয়গুলি গৌতম বুদ্ধকে খুব ভাবিয়ে তোলে। বৌদ্ধধর্মে এই তিনটি বিষয়কে “ত্রিতাপ” বলে। মানবজীবন থেকে “ত্রিতাপের যন্ত্রণা” মোচনের জন্য তিনি উদ্গ্রীব হয়ে ওঠেন। ২৯বছর বয়সে গৌতম সংসারের মায়ার বন্ধন, রাজকীয় ঐশ্বর্য, পুত্র রাহুল ও স্ত্রী যশোধরাকে ত্যাগ করে একদিন গভীর রাতে গোপনে গৃহত্যাগ করেন এবং ১২ বছর সাধনার পর তিনি নির্বাণ লাভ করেন।

বহুদিন পর স্বভূমিতে ফিরে এসেছেন গৌতম বুদ্ধ। তাঁকে একবার চোখে দেখার জন্য কপিলাবস্তু উদ্বেল। তাঁর কাছে দীক্ষা নেবার জন্য অধীর শতসহস্র অনুগামী। রাজপ্রাসাদে দেবী যশোধরাও অধীর। কাল তিনিও দীক্ষা নেবেন। ওদিকে রাজকুমার নন্দর ভবনে অন্য হাওয়া বইছে। নন্দ নিজে বুদ্ধের সান্নিধ্য পেতে চাইলেও তাঁর স্ত্রী সুন্দরীর এর ব্যাপারে কোনো আকর্ষণ নেই। এই পরিস্থিতিতে স্বামী নন্দর ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ একটুও শিথিল হতে দেবেন না তিনি। সুন্দরীর তীব্র আগ্রহে আজ রাতে কামোৎসবের আয়োজন হয়েছে নন্দর ভবনে। কপিলাবস্তুর অভিজাত সম্প্রদায় সেখানে আমন্ত্রিত। সুন্দরীর তত্ত্বাবধানে সেজে উঠছে চারদিক। ভবনকে নৃত্যগীতের উপযোগী মঞ্চ করে তুলতে, সুরাপানের অনুকূল পরিমণ্ডল রচনা করতে কোনো কার্পণ্য করছেন না সুন্দরী। তবু কমল সরোবরের রাজহাঁসেরা এত চঞ্চল হয়ে উঠছে কেন তার থই মিলছে না। আলোচ্য বিষয় নিয়েই নাট্যম রেপার্টরী’র ৭ম প্রযোজনা, নাটক “কোথায় জলে মরাল চলে”।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো