৩ বারের চেয়ারম্যান জানলেন তার ভোট অন্য উপজেলায় উড়ে গেছে!

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন কিনতে নির্বাচন অফিসে যান দেবেশ চন্দ্র রায়। তবে সেখানে গিয়ে তার চক্ষু চরকগাছ! ভোটার তালিকাতেই নেই তার নাম। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন তিনি এই উপজেলার না, অন্য এক উপজেলার ভোটার!

গত ১৬ নভেম্বর এ ঘটনা ঘটলেও জানাজানি হয় বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর)

জানা যায়, দেবেশ চন্দ্র রায় বীরগঞ্জ উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মহাদেবপুর গ্রামের ধনঞ্জয় রায়ের ছেলে। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া তিনি ১৯৮৭, ১৯৯১ ও ২০০২ সালে মরিচা ইউনিয়নে তিনবার ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে স্বতন্ত্র নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেন তিনি।

দেবেশ চন্দ্র রায় জানান, চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে ১৬ নভেম্বর উপজেলা নির্বাচন অফিসে যান। সেখানে ভোটার তালিকা সংগ্রহ করে দেখেন তার নাম নেই। জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান করে দেখেন তিনি বীরগঞ্জ উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের পরিবর্তে ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের ভোটার। কীভাবে এটা হলো এর উত্তর পাননি তিনি।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার জনপ্রিয়তা দেখে আমাকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতেই আমার অজান্তে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে প্রতিপক্ষরা। আমি বংশ পরম্পরায় বীরগঞ্জ উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বাসিন্দা। এছাড়া আমি তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। আমি ফুলবাড়ীতে ভোটার হতে যাব কেন?

এ বিষয়ে দিনাজপুর সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শাহিনুর ইসলাম প্রামাণিক বলেন, তিনি নির্বাচন অফিসে মনোনয়ন ফরম নিতে এলে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর অনুযায়ী তার নাম ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের ভোটার তালিকায় দেখতে পাই। এ ভুল সংশোধনের জন্য তাকে তাৎক্ষণিক নির্বাচন কমিশনার বরাবর পাঠানো হয়েছে। আজকালের মধ্যে এটি সংশোধন করা যাবে এবং তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো