পাকুন্দিয়ায় শীতের শুরুতেই বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় শীতের শুরুতেই বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই ঠান্ডাজনিত রোগ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্যমতে, প্রতিদিন প্রায় ৪০০-৫০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন হাসপাতালে। যা আগের মাসের চেয়ে বেশি। শীতের শুরুতে শিশু ও বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, শ্বাসনালীর প্রদাহ, সর্দি, কাশি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে।

শনিবার (২০ নভেম্বর) সকালে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরজমিনে দেখা যায় রোগীর চাপ অনেক বেশি। রোগীদের অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ।

সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত শিশু তন্নয়কে নিয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা মা নিপা হক বলেন, ছেলেটি কয়েকদিন ধরে সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত। তাই তাকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছি।

শিশু রাফসানের চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছেন তার বাবা রিমন মিয়া বলেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে, হঠাৎ করেই শীত নেমেছে। আমার ছেলেটাও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এজন্য দেরি না করে ডাক্তার দেখাতে এনেছি।

পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন শাহনাজ বলেন, এখন ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বেড়েছে। যদিও হিমশিম খাওয়ার মতো রোগীর চাপ নেই। তারপরও আমরা সর্বদা প্রস্তুত আছি। ঔষধ, নেবুলাইজার মেশিন আছে। শীতের শুরুতে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ একটু বাড়ে। এজন্য শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। শিশুর যেনো ঠান্ডা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রয়োজনে মোটা কাপড় পরিধান করাতে হবে। শিশুদের ধুলোবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। তাদের খাবার ও খাবারের পাত্র পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে। পঁচা-বাসি খাবার খাওয়ানো যাবে না।

হুমায়ুন কবির/বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো