আলোচিত শার্শায় ৬২ কেন্দ্রকে ঝূঁকিপূর্ণ ঘোষণা

শঙ্কা আর সংশয়ের মধ্যে দিয়ে রাত পোহালেই প্রতিদিনের খবরের শিরোনামে থাকা যশোরের শার্শা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে তৃতীয় ধাপের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠইত হবে।

তবে উপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও সহিংসতার আশঙ্কা করেছেন ভোটাররা। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। এজন্য এই উপজেলার ১০ ইউনিয়নের ১০৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৬২টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। তবে শঙ্কা দূর করতে এসব কেন্দ্রে কঠোর নজরদারি আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল রাখা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

জানা যায়, রোববার (২৮ নভেম্বর) উপজেলার ডিহি, লক্ষণপুর, বাহাদুরপুর, পুটখালি, গোগা, কায়বা, বাগআঁচড়া, উলাশী, শার্শা ও নিজামপুর ইউনিয়নে ভোট হবে।

বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, গোটা উপজেলায় চলছে নির্বাচনী আমেজ। ভোটারদের মধ্যে চলছে জল্পনা কল্পনা। ভোটাররা যেমন প্রার্থীদের নিয়ে নানা ধরনের চিন্তা ভাবনা করছেন, তেমনি প্রার্থীরাও বসে নেই। গত শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সকল প্রকার প্রচারণা শেষ করেছে প্রার্থীরা। তবুও চলছে মৌখিক প্রচারনা ও ভোট চাওয়া।

শার্শা উপজেলা নির্বাচন অফিসার মেহেদী হাসান বার্তা বাজারকে জানান, শার্শার ১০টি ইউনিয়নে ১০৮টি ভোট কেন্দ্রে দুই লাখ ৩৫ হাজার ২৪৩ জন ভোটারাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ১৮ হাজার ২০০ জন ও নারী ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৪৩ জন। চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী আছেন ৪৩ জন। তবে এদের মধ্যে ইতোমধ্যে বিদ্রোহী তিন ও স্বতন্ত্র একজন প্রার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে নৌকা প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া সংরক্ষিত পদে ৯৭ জন ও সাধারণ পদে ৪০৭ জন প্রার্থী আছেন।

উপজেলা রিটানিং অফিসার ও শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা এ বিষয়ে বার্তা বাজারকে জানায়, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব বণ্ঠন ও ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সামগ্রী বুঝে পাঠানো হয়েছে। ১০ ইউনিয়নের ১০৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬২টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা নির্বাচনের আগের দিন থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম শেষ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া বাড়তি নিরাপত্তার জন্য পুলিশের মোবাইল টিম, বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে স্ট্রাইকিং ফোর্স, র‌্যাব ও বিজিবির টিম সার্বক্ষণিক কাজ করবে।

এ্যান্টনি দাস অপু/বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো