জেলেদের চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম

জামালপুরের সরিষাবাড়ীর পিংনা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার জেলেদেরকে ২০ কেজি চালের স্থলে ২-৩ কেজি চাল কম দেয়ার অভিযোগ
পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় তাৎক্ষনিক জেলেরা ওজনে কম দেওয়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের জানায়। এসময় জেলেদের দেয়া চাল দোকানে গিয়ে মেপে দেখা যায় ২০ কেজির জায়গায় ১৭ কেজি ৫০০ গ্রাম, আবার কোনটা ১৮ কেজি হয়েছে। এসব চাল মেপে দেয়ার নিয়ম থাকলেও না মেপে দেয়া হচ্ছে প্লাস্টিকের বালতি দিয়ে।

রোববার (২৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার পিংনা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।

উপজেলা মৎস্য অফিস সুত্রে জানা যায়, পিংনা ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত জেলের সংখ্যা ১৩২ জন। তাদের জন্য সরকারী বরাদ্দ হিসেবে জনপ্রতি ২০ কেজি করে চাল এসেছে। সেখানে ২০ কেজির জায়গায় প্রতিজনকে সাড়ে ১৭ থেকে ১৮ কেজি করে বালতি দিয়ে চাল দিতে দেখা যায়।

সুজন হাওলাদার, কানু, অখিলসহ একাধিক জেলেরা জানান, আমাদের ২০ কেজি করে চাউল দেওয়ার কথা থাকলেও আমাদের ১৭ সাড়ে ১৭ কেজি চাল দিচ্ছে। আবার কাওকে ১৮ কেজিও দিচ্ছে। আমরা কিছু বলতে গেলে আমাদের উপর ক্ষেপে ওঠে ওখানে থাকা লোকেরা ধমক দেয়। এসময় জেলেদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার মোতাহার হোসেন জয় বলেন, আমি এসবের কিছুই জানি না। আমি শুধু চাল বিতরনের উদ্ভোধন করে অন্য কাজে চলে আসছি। ওখানে বিপ্লব নামে একজন আছে উনিই চাল বিতরন করছেন। উনিই সব জানেন। তবে চাল কম দেয়ারতো কথা না।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার সুতপা ভট্টাচার্য বলেন, চাল কম দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমি কার্ডধারী প্রতিটি জেলেকে ২০ কেজি
করে চাল দেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। ইউপি চেয়ারম্যান কম দিয়েছে কিনা সেটা আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবো।

মোস্তাক আহমেদ মনির/বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো