বিয়েতে মাংস বেশি খাওয়ায় সংঘর্ষ: তালাকের পরদিন আবারও বিয়ে

চুয়াডাঙ্গায় বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস বেশি খাওয়ায় বরপক্ষের লোকজনকে মারধর করার কারণে নববধূকে তালাক দেবার পর আবারও বিয়ে করেছেন বর। গত রোববার বিয়ের রাতেই বর ও কনের বিয়ে বিচ্ছেদ হলেও সোমবার পরিবারের সিদ্ধান্তে আবারো তাদের বিয়ে হয়।

এর আগে রোববার (২৪ অক্টোবর) চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার বদরগঞ্জ দশমি পাড়ার রহিম আলীর ছেলে সবুজের সাথে একই এলাকার নজরুল ইসলামের মেয়ে সুমি খাতুনের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়।

জানা গেছে, বিয়ের দিন সন্ধ্যায় বরপক্ষের লোকজনকে খেতে দেয়া হয়। বর সবুজের সঙ্গে খেতে বসে তার বন্ধুসহ আত্মীয়-স্বজন। খাওয়া শেষ হওয়ার মুহূর্তে বরপক্ষের লোকজন মাংস চাইলে কনে পক্ষের লোকজন দিতে না চাইলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হলে কনে পক্ষের লোকজন বরপক্ষের ৩ জনকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী মিঠু মিয়া জানায়, বরপক্ষের লোকজন ভাত না খেয়ে বারবার শুধু মাংস চাচ্ছিলেন। এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মারামারি হয়। পরে বিয়ের রাতেই অনুষ্ঠানে বরপক্ষের লোকজনকে মারধর করার কারণে নববধূকে তালাক দিয়েছেন বর।

কুতুবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলী আহম্মেদ হাসানুজ্জামান বলেন, বিয়ে বাড়িতে বারবার মাংস চাওয়ায় কনে পক্ষের লোকজন বরপক্ষের তিনজনকে পিটিয়েছেন। ওই দিনরাতেই দুপক্ষের উপস্থিতিতে বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটে। পরদিন সোমবার কোনো এক সময় নববধূর সাথে সবুজের আবারো বিয়ে হয় ।

উল্লেখ্য ঝিনাইদহের হলিধানি গ্রামের রহিম আলীর ছেলে প্রবাসী সবুজের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বদরগঞ্জ দশমিপাড়ার এক তরুণীর মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১৯ সালে মোবাইল ফোনে মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। সম্প্রতি সবুজ দেশে ফিরলে রোববার (২৪ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকতা শেষে নববধূকে তুলে নেওয়ার কথাছিল।

অন্তর কুমার ঘোষ/বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো