যা বললেন ইকবালের মা আমেনা বিবি

কুমিল্লার পূজামন্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনায় শনাক্ত যুবক ইকবাল হোসেন (৩০) ও এর সাথে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছেন তার মা আমেনা বিবি। পাশাপাশি তিনি ইকবালকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে দাবি করেছেন।

এর আগে বুধবার (২০ অক্টোবর) সিসিটীভি ফুটেজ দেখে ইকবালকে শনাক্ত করার কথা জানায় পুলিশ। শনাক্ত ইকবাল কুমিল্লা নগরীর সুজানগর এলাকার নূর আহমদ আলমের ছেলে।

ইকাবালের বাড়িতে গিয়ে তার মা আমেনা বিবির সাথে কথা বললে তিনি জানান, সে ১৬-১৭ বছর বয়স থেকে মাদকাসক্ত হয়ে পাগলামি করে আসছে। তার দ্বিতীয় স্ত্রী চলে যাওয়ার পর থেকে সে আমার মায়ের কাছে থাকতো। ঘটনার দুদিন আগে (১১ অক্টোবর) বিকেলে নেশা করে আমার সঙ্গে দেখা করতে বাসায় আসে। কেন এসেছো জিজ্ঞেস করলে কথা না বলে চলে যায়। এরপর থেকে আর বাসায় আসেনি।

তিনি জানান, ভিডিওতে দেখেছি আমার ছেলে পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রেখেছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী আমার ছেলেকে যে শাস্তি দেবেন আমরা তা মাথা পেতে নেবো। এ ঘটনায় তার সঙ্গে যদি আরও কেউ জড়িত থাকে তাদেরও আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাই।

স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় ইকবাল ইতোমধ্যে দু’টি বিয়ে করেছেন। তিনি মাদকাসক্ত ও মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। প্রথম বিয়ে করেছিলেন কুমিল্লার পার্শ্ববর্তী চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। ওই সংসারে ১০ বছর বয়সী একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। তার পাগলামির কারণে সাত-আট বছর আগে স্ত্রী আশা বেগম তাকে ছেড়ে অন্যত্র বিয়ে করে সংসার করছেন।

পরবর্তীতে আবারও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করেন ইকবাল। বিয়ের দু’বছরের মধ্যেই জন্ম হয় এক মেয়ের। ৩ বছর আগে মাদকে আসক্ত হয়ে আবারও পাগলামি শুরু করেন ইকবাল। পরে দ্বিতীয় স্ত্রীও তাকে ত্যাগ করেন। এরপর ইকবালের পাগলামি বেড়ে যায় আরও।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো