আড়ালে থাকাদের বিষয়ে মুখ খুলছে না ইকবাল

কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হওয়া ইকবাল হোসেন গ্রেফতার হয়েছেন। কুমিল্লা শহরের সুজানগর এলাকার বাসিন্দা ইকবাল একজন ভবঘুরে ও মাদকাসক্ত বলে জানা যায়। তবে তাকে গ্রেফতারের পর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে কোরআন অবমাননাও কথা স্বীকার করলেও ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে তা স্বীকার করেনি।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ইকবাল জিজ্ঞাসাবাদে একেক বার একেক রকম তথ্য দিচ্ছে। কোনো প্রশ্নের সুদুত্তর পাওয়া যাচ্ছে না তার কাছ থেকে।

কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ গত রাতে মুঠোফোনে বলেন, ইকবালের কাছে কয়েকটি বিষয়ে জানতে চেয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যে কিছু বিষয় তিনি স্বীকার করেছেন। কিছু প্রশ্নের জবাব পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ইকবালের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ যাঁদের ঘনিষ্ঠতা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে, তাঁদের নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে।

ইকবালের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে কুমিল্লা মহানগর পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত্য দাস বলেন, ‘তাঁকে (ইকবাল) দিয়ে যাঁরা এই কাজ করিয়েছেন, তাঁদের চেহারা দেখতে চাই। আসল ঘটনার নায়ককে দেখতে চাই। ইকবালকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে তদন্তের অগ্রগতি হয়েছে সত্য, তবে মূল পরিকল্পনাকারী কারা, তা তো এখনো জানা গেল না। আমরা প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তি দাবি করছি।’

এদিকে ইকবালের দ্বারা কোরআন অনমাননাসহ কুমিল্লায় সংগঠিন নানা সহিসংসতার ঘটনায় ইতোমধ্যে ৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামি করা হয়েছে কুসিকের জামায়াত সমর্থিত ৩ কাউন্সিলর, বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীসহ ৯১ জনকে। এছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৭০০ জনকে। এ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ৪৬ জনকে।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো